সরওয়ার হোসেনের “গ্রেফতার নির্যাতন কারাবাস” এবং অজানা কথা

Ezazul Ezazul

Haque

প্রকাশিত: ৩:০৯ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১, ২০১৯ | আপডেট: ৩:১৪:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১, ২০১৯
সরওয়ার হোসেনের “গ্রেফতার নির্যাতন কারাবাস” এবং অজানা কথা

হারুন লোদী:  জনগণ আর নেতার মধ্যে মিল আছে, সূত্র আছে, যোগাযোগ আছে। তবে দুজনের মধ্যে পার্থক্যও আছে। নেতা জনগণকে দেখে তার দুই চোখে, কিন্তু নেতাকে জনগণ দেখে অসংখ্য চোখে। দুই চোখ দিয়ে নেতা কোটি চোখকে প্রত্যক্ষ করেন, নিয়ন্ত্রণ করেন। তাই নেতার দুচোখ জনগণের অসংখ্য চোখের চেয়ে প্রখর হতে হয়। এরূপ প্রখরতা যার কাছে আমরা উপলব্ধি করি তিনি হলেন জননেতা সরওয়ার হোসেন।

জননেতা সরওয়ার হোসেনের “গ্রেফতার নির্যাতন কারাবাস” এবং অজানা কথা।সরওয়ার হোসেন ১৯৫৮ সালে সিলেটে জন্মগ্রহন করেন।উনার শৈশব কাল কেটেছে হযরত শাহজালালের(রঃ) এর পুন্যভুমি সিলেটে।তিনি ১৯৭৬ সালে সিলেট সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ১৯৭৮ সালে সরকারী তিতুমীর কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৮২ সালে একই কলেজ থেকে বিকম পাশ করেন।ছাত্র জীবনেই তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের হাত ধরে রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন এবং ঐ সময় তিনি সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখার ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হন।পরবর্তিতে তিনি সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রসংসদের এজিএস নির্বাচিত হন।তারই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৯৮৩ সালে তৎকালিন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হন।তৎকালিন সময় স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন করতে যেয়ে তিনি স্বৈরশাসকের অত্যাচার ও নির্যাতনের মুখে পড়েন।পরবর্তিতে ঐ সময়ের স্বৈরশাসকের অত্যাচার ও নির্যাতনের মুখে জেল,ঝুলুম,হুলিয়া মাথায় নিয়ে দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন।তারপর তিনি প্রথমে যুক্তরাজ্যে ও পরবর্তীতে কানাডায় আশ্রয় নেন এবং কানাডায় স্হায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।কিন্তু রক্তে যার বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তিনি তো থেমে যাবার পাত্র নন।তাই তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে কানাডায় বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যক্রম শুরু করেন।আর তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালে কানাডা আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।উল্লেখ্য যে তিনি তার রাজনৈতিক জীবনে বাংলাদেশের স্বৈরশাসকদের দ্বারা বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হন ও কারাভোগ করেন।জননেতা সরওয়ার হোসেন একদিনে গড়ে উঠেননি বিন্দু বিন্দু ত্যাগ এর বিনিময়ে আজ বিয়ানীবাজার গোলাপগঞ্জ বাসীর প্রানের জননেতা সরওয়ার হোসেন।