তিন ব্যাংকের অনুমোদন বিষয়ে ‘জানেন না’ অর্থমন্ত্রী

Ezazul Ezazul

Haque

প্রকাশিত: ১:১১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৯ | আপডেট: ১:১১:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৯
তিন ব্যাংকের অনুমোদন বিষয়ে ‘জানেন না’ অর্থমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, ঢাকা : স্টাডি করে চাহিদার ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন তিনটি ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে বলে মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, তিনটি ব্যাংক সম্পর্কে আমাকে জানতে হবে। আমি এখনও জানি না। আমার মনে হয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নর মহোদয়ের সঙ্গে আলাপ করলে আমরা তথ্য পাব। তখন ভালো হবে।

সোমবার সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে যোগ দেয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বিষয়টি বলেন।

রোবারই বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সভায় নতুন তিনটি ব্যাংকের নীতিগত অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ব্যাংকগুলো হলো- বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, দ্য সিটিজেন ব্যাংক ও পিপলস ব্যাংক। এ তিন ব্যাংক অনুমোদনের ফলে দেশে সব মিলিয়ে তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়াল ৬২টিতে।

মন্ত্রী বলেন, কালকে তো সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নর মহোদয় বলেছেন, ডেফিনেটটি প্রয়োজনীয়তা না থাকলে এই কাজ করত না। তাদের হয়তো ইন্সট্রাকশন আছে, প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন এবং সেই প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে তারা করে থাকতে পারেন।

আগের অর্থমন্ত্রী বলতেন ‘বাংলাদেশে আর নতুন ব্যাংকের প্রয়োজন নেই’- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মুস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশে কয়টি ব্যাংক আছে সেটা বড় ব্যাপার না। ব্যাংকগুলো যদি স্বাভাবিকভাবে নিয়মনীতি মেনে চলে, সংখ্যা দিয়ে কোনো কিছু হবে না। ব্যাংকের কার্যক্রম যদি থাকে, যে উদ্দেশ্যে ব্যাংক করা, সেভাবে যদি কাস্টমারদের নিয়মানুযায়ী সার্ভিস দিতে পারে, অনিয়মের মাঝে নয়। তাহলে ইন দ্যাট কেস আমি মনে হয়… নম্বর (ব্যাংকের সংখ্যা) নিয়ে আমি চিন্তিত নই। আমাদের যে ব্যাংকগুলো আছে, ৪০০-৫০০ কোটি টাকা পেইড আপ ক্যাপিটাল, দিস ইজ হোয়াট। বিদেশে যে কোনো একটি ব্যাংকের ব্রাঞ্চের সমপরিমাণ পেইড আপ ক্যাপিটাল ও রিসোর্সেস আমাদের ২০টি ব্যাংকের নেই। সুতরাং নম্বর দিয়ে হবে না- বলেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, আপনি বড় একটা (ব্যাংক) করেন ৫০টা না করে। সেই একই কথা হলো। আমি মনে করি, নম্বর দিয়ে না। আমাদের চাহিদা আছে কি না, চাহিদা নিরূপণ করে যদি করা হয়ে থাকে, ইন দ্যাট কেইস ফাইন, ইটস ওকে। আমার বিশ্বাস সেন্ট্রাল ব্যাংক এবং যারা সংশ্লিষ্ট আছেন তারা সবাই কমপ্লিটলি একটা স্টাডি করে, স্টাডির ভিত্তিতেই তারা সেই কাজটি করেছে।